নদিয়া: কৃষ্ণনগর পৌরসভার প্রায় ৩৬৫ জন অস্থায়ী পৌর কর্মীকে ছাটাই এর প্রতিবাদে পৌরসভার সামনে বিক্ষোভ ও ধর্ণা অস্থায়ী পৌর কর্মীদের। বিক্ষোভকারী অস্থায়ী পৌর কর্মীদের দাবি অবিলম্বে তাদের পুনঃবহাল করতে হবে। আর এই প্রতিবাদ জানিয়ে আজ সকাল থেকে কৃষ্ণনগর পৌরসভার মূল গেট আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে পৌরসভার অস্থায়ী কর্মীরা। প্রসঙ্গত তৃণমূল পরিচালিত কৃষ্ণনগর পৌরসভায় পৌর বোর্ড ভেঙে প্রশাসক বসানো হয়েছে।
আর পৌর প্রশাসক তথা সদর মহকুমা শাসক শারদ্বতী চৌধুরী দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই পৌরসভার কোষাগার মজবুত করতে এগিয়ে এসেছেন তিনি। প্রথমত নো ওয়ার্ক নো পে সিস্টেম চালু করেছিলেন তিনি। এরপর অস্থায়ী কর্মী ছাটায়ের নোটিশ দেন গত ৩১ ডিসেম্বর। প্রথম পর্যায়ে ১০৬ জনকে পরবর্তী সময়ে ২৪৯ জনকে ছাটাই এর সিদ্ধান্ত নেন বর্তমান পৌর প্রশাসক। এর পরেই অস্থায়ী কর্মীদের মধ্যে শুরু হয় অসন্তোষ। একত্রিত হয়ে কৃষ্ণনগর পৌরসভার গেটের সামনে ধরনা ও বিক্ষোভে সামিল হয় তারা।
অস্থায়ী কর্মীদের দাবি একটাই তাদের পুনর্বহাল করতে হবে। কোনরকম অস্থায়ী কর্মীকে ছাটাই করা চলবে না। যদিও এ বিষয়ে কৃষ্ণনগর পৌরসভার পৌর প্রশাসক শারদ্বতী চৌধুরী জানিয়েছেন, শুনেছি অস্থায়ী কর্মীরা প্রতিবাদ করছে। তবে আশা করছি আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। অন্যদিকে কর্মী ছাটাই এর বিষয়ে নদিয়া উত্তর বিজেপির মিডিয়া কনভেনার সন্দীপ মজুমদার জানান, কৃষ্ণনগরের সাধারণ মানুষের নির্বাচিত ভোটে জনপ্রতিনিধি হয়ে আজ নিজেদের গোষ্ঠী কোন্দলে রাজ্য সরকারকে পৌর প্রশাসক বসাতে হয়েছে কৃষ্ণনগর পৌরসভায় এটা অত্যন্ত লজ্জার।
যেখানে রাজ্য সরকার কাউকে নিয়োগ করতে পারছে না সেখানে ছাঁটাই করে তাদের পেটে লাথি মারছে।আর গোটা প্রক্রিয়াটা নবান্নে নির্দেশই হয়েছে। আমরা চাই অস্থায়ী কর্মীদের যাতে পুনর্বহাল করা হয় সেদিকে নজরদ্বীপ প্রশাসক। আর ভিক্ষুক কারী অস্থায়ী পৌরকর্মীরা যদি বিজেপির সাহায্য নেয় আমরা তাদের পাশে শরবতভাবে থাকবো।।
