নদিয়া: ২৬ শে নির্বাচনের আগে নদিয়ার চাপড়া সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় বিপাকে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রধান ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ তুলে দল ছাড়া ইচ্ছা প্রকাশ করেছে ৬ জন পঞ্চায়েতের নির্বাচিত সদস্য সদস্যা। একদিকে
যখন এস আই আর দুশ্চিন্তা নিয়ে চোখের ঘুম ছুটছে তৃণমূলের ঠিক তখনই পঞ্চায়েতের দুর্নীতির জেরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব যেন বড় মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে নদিয়ার চাপড়ায়। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় বিপাকে সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সংসদীয় এলাকা চাপড়ার জোড়া ফুল শিবির।জেলার একাধিক পৌরসভার পৌরপ্রধানদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি নিয়ে সরব হয়েছেন তৃণমূলের একাংশ। বিভিন্ন পৌরসভায় পৌর বোর্ড ভেঙে প্রশাসক বসানো হয়েছে।জোড়া ফুলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসায় শিকেয় ওঠে পৌর পরিষেবা। এইবার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় পঞ্চায়েত প্রধানের ও তার অনুগামীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে নিয়ে সরব তৃণমূলের ই পঞ্চায়েত সদস্যরা। পঞ্চায়েতের সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিতে চাইলেন ৬ জন তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচিত সদস্য। উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। লুটেপুটে খাচ্ছেন শাসক দলের এক শ্রেণীর নেতারা। আর যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এই সমস্যা সমাধান করতে এখনো পর্যন্ত এগিয়ে আসেনি কেউই। তাই বিধানসভা নির্বাচনের আগে চাপড়ার মহৎপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ পঞ্চায়েত সদস্য সদস্য এবার ইস্তফা দিতে চাইছে। যদিও এ বিষয়ে কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান তথা এলাকার বিধায়ক রুক বানুর রহমান জানান, এরকম ঘটনা আমার জানা নেই তবে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। আর চাপড়া এলাকায় অনুন্নয়ন বা দুর্নীতির অভিযোগ যদি কেউ তোলে তা সঠিক নয়। এর পেছনে কি কারণ সেটা খতিয়ে দেখব।
