নদিয়া: মেয়ে যুবসাথী পাওয়ায় বিজেপি কর্মীকে মারধর তৃণমূল কাউন্সিলরের।আর ভোটের মুখে সে ভিডিও ভাইরাল হতেই অস্বস্তিতে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।যদি বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন চেয়ারম্যান।
এমনই চঞ্চল্যকর ঘটনাটি
নদিয়ার হরিণঘাটা বড়জাগুলি এলাকার। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম সন্তু রাউত। অভিযোগ, সন্তুর মেয়ে সরকারি প্রকল্প যুব সাথীর ফর্ম পূরণ করেছিলেন। সেই মত গত ১৯ মার্চ একাউন্টে টাকাও ঢুকেছিল। একথা জানতে পারেন হরিণঘাটা পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর হারাধন ঘোষ।
আরও অভিযোগ,এরপর সন্তুর মেয়েকে ফোন করে অকথ্য গালিগালাজ করা সহজ বাবাকে নিয়ে দেখা করতে যাওয়ার কথা বলা হয়। এরপর মেয়ের কাছ থেকে ফোন নাম্বার নিয়ে সন্তু যখন কাউন্সিলাকে ফোন করে তাকে বিভিন্ন রকম ভাবে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ সন্তুর। আরও অভিযোগ, শনিবার বাড়ি থেকে বেরোতেই সন্তুকে ঘিরে ধরেন হারাধন। কাউন্সিলর নিজে তাঁকে মারধর করে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। সেই ভিডিও ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।
যদিও হরিণঘাটা পৌরসভার চেয়ারম্যান বিষয়টি খোঁজ করে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।
এই ঘটনায় হরিণঘাটা থানায় এবং নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন বিজেপি কর্মী সন্তু রাউথ। যদিও এ বিষয়ে রাজাকার সাংগঠনিক তৃণমূল জেলা সভাপতি দেবাশীষ গাঙ্গুলিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই খোঁজ নিয়ে জানার চেষ্টা করছি। মেয়েও বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি যে প্রকল্প ঘোষণা করেছেন সেটা দলমত নির্বিশেষে সকলের জন্য। এমনটা যদি হয়ে থাকে সেটা ঠিক নয়। অন্যদিকে রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রে সংসদ জগন্নাথ সরকার জানান, আজ বিজেপি করে বলে সে সরকারি অসুবিধা পাবে না? এটা কি তৃণমূল কংগ্রেসের ঘরের টাকা নাকি? সাধারণ মানুষের টাকা সাধারণ মানুষকে দিচ্ছে এ নিয়ে একজন তৃণমূল কাউন্সিলার প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। এবার বুঝুন আমরা কোন রাজ্যে বাস করছি। মুখ্যমন্ত্রী যে সমস্ত ভাতা ঘোষণা করেছে তাকে শুধুমাত্র তৃণমূলের জন্য এমনটাই প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সাথে কাউন্সিলারের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সংসদ জগন্নাথ সরকার।
বিজেপি কর্মীর মেয়ে যুবসাথীর টাকা পাওয়ায় ফোন করে হুমকি এবং মেয়ের বাবাকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে।
