নদিয়া: ৫১তম পুনর্মিলন উৎসব অনুষ্ঠিত হল কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে। প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক নন্দিনী বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পরেই বিভাগীয় প্রধান জানান, “পুনর্মিলন শুধু উৎসবই নয়, একটি আবেগ।নতুন-পুরানোর মেলবন্ধন। তা ছাড়া মাননীয় উপাচার্য ও নবকুমার বসুর হঠাৎই আগমন অনুষ্ঠানটিকে আরও উজ্জ্বল করে তুলল।”
উপাচার্য অধ্যাপক কল্লোল পাল বলেন, “পুনর্মিলনে পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করার যে আনন্দ সেটা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। বিভাগের ছাত্রছাত্রী, অধ্যাপকদের পুনর্মিলনে রোমাঞ্চকর অনুভূতি, আবেগ, উত্তেজনা আমি অনুভব করছি। আমি চাই আপনারা আজই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাক্তনী অ্যাসোসিয়েশনে যোগদান করুন।”
পুনর্মিলনে অনুষ্ঠিত হল নৃত্যালেখ্য, কবিতাকোলাজ ও রাজশেখর বসুর লেখা নাটক ‘ভূশুণ্ডির মাঠে’। তা ছাড়া উৎসবে বসেছে বাংলা বিভাগ প্রকাশিত সমস্ত পত্রিকা, জার্নাল ও বইয়ের স্টল। পাঁচশো ছাত্রছাত্রী ও গবেষক সহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সুখেন বিশ্বাস, অধ্যাপক প্রবীর প্রামাণিক, অধ্যাপক সঞ্জিত মণ্ডল, ড. তুষার পটুয়া, ড. শ্যমশ্রী বিশ্বাস সেনগুপ্ত, ড. পীযূষ পোদ্দার, ড. সীমা সরকার প্রমুখ।
শীতের চাদর যখন একটু একটু করে প্রকৃতি থেকে গুটিয়ে যাচ্ছে তখনই ইংল্যান্ড প্রবাসী সমরেশ-পুত্র নবকুমার বসু গেয়ে উঠলেন, “ওই যে আকাশের গায়ে/ দূরের বলাকা ভেসে যায়।” অখিলবন্ধু ঘোষের গাওয়া গানটি নবকুমার বসুর কণ্ঠে নতুন মাত্রা পেল। তিনি জানালেন, “আম্ব্রকুঞ্জ জুড়ে রঙিন পরিবেশ। বুঝতে পারছি এখানে শীত নেই। বসন্ত এসে গেছে।
