শান্তিপুরে কৃষক স্পেশাল ট্রেনের শুভসূচনা করলেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার

নদীয়া: করোনা পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। ফলে লোকাল ট্রেন চালানোর অনুমতি দেয়নি রাজ্য সরকার। তবে চলছে বেশ কিছু স্টাফ স্পেশাল লোকাল ট্রেন। লোকাল ট্রেন সম্পুর্ন ভাবে চালু না হওয়াতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছে সবজি ব্যবসায়ীরা। এমতাবস্থায় কৃষকদের জন্য আনুষ্ঠানিক ভাবে কৃষক স্পেশাল ট্রেনের শুভসূচনা হল শান্তিপুর স্টেশনে। এদিন শান্তিপুর স্টেশনে কৃষক স্পেশাল ট্রেনের শুভসূচনা করলেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। মূলত কৃষকদের পণ্য পরিবহনে অসুবিধার কথা বিবেচনা করেই কৃষক স্পেশাল ট্রেন চালু করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিন জগন্নাথ সরকার জানান,”যে কয়েকটি ট্রেন চলছে, তাতে নিত্যযাত্রীদের ভিড় থাকায় বড় বড় সবজির ঝুড়ি নিয়ে উঠতে সমস্যা হচ্ছে ব্য়বসায়ীদের। লোকাল ট্রেনে ভেন্ডর বগি থাকে ২ টি, যার ফলে চাষিরা তাদের উৎপাদিত সামগ্রী নিয়ে ভিড়ে ঠাসাঠাসি অন্য কামরায় উঠতে বাধ্য হয়, শুনতে হয় নিত্যযাত্রীদের গালিগালাজ। ফলে উৎপাদিত সবজি বিক্রি করতে সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে চাষিদের।” তিনি জানান,”আপাতত শিয়ালদা মেইন শাখায় দুটি কৃষক স্পেশাল লোকাল ট্রেন চালানো হবে। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৭:৩০ নাগাদ নদিয়ার গেদে স্টেশন থেকে ছেড়ে রানাঘাট হয়ে শিয়ালদা পৌঁছবে প্রথম কৃষক স্পেশাল ট্রেন। পরবর্তী ট্রেনটি দুপুর ২:৩০ নাগাদ শান্তিপুর থেকে ছেড়ে সোজা শিয়ালদহ পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। মূলত ট্রেনদুটি চালু হওয়ায় কলকাতা ও শহরতলিতে দ্রুত শাকসবজি ও অন্যান্য পণ্য পৌঁছে দিতে পারবেন ব্যাবসায়ীরা।

তিনি আরও জানান,” কৃষকদের পক্ষ থেকে আমাকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল এরপরেই আমি তৎপর হয়ে রেল দপ্তরে একটি চিঠি করেছিলাম। রেলের পক্ষ থেকে তার সারা মেলায় এখন তা বাস্তবায়িত হলো।” একইসঙ্গে জগন্নাথবাবু রেল দফতরকেও ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,”আমি রেল দপ্তরের কাছে খুবই কৃতজ্ঞ বলে মনে করছি, কারণ কৃষকদের কথা মাথায় রেখেই রেল দপ্তর যে চিন্তাভাবনা করেছে তা খুবই প্রশংসনীয়।”

এদিন কৃষক স্পেশাল ট্রেনের শুভ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে শান্তিপুর রেলস্টেশনে বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। রেল সূত্রে খবর, আজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুভ সূচনা হলেও কয়েকদিনের মধ্যেই এই কৃষক স্পেশাল ট্রেন পুরোপুরি চালু হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.