বুধবারে যশ-এর সাথেই একসাথে ঘটতে চলেছে দোসর পূর্ণিমা ও চন্দ্রগ্রহণ

নদীয়া নিউজ ২৪ ডিজিটাল: একদিকে করোনা,অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’। এর সাথেই পাল্লা দিয়ে রাজ্যে ভয় বাড়াচ্ছে ব্ল্যাক ফ্যাঙ্গাস । এরই মাঝে পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যশ নিয়ে বৈঠকের পর বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান, আমফানের চেয়েও ভয়ঙ্কর হতে চলেছে যশ ।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে ঘূর্ণিঝড়টি বুধবার নাগাদ তার সর্বোচ্চ গতিবেগ নিয়ে আছড়ে পড়তে পারে উপকূল বরাবর । তবে এরই মাঝে দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে দোসর পূর্ণিমা ও চন্দ্রগ্রহণ । বুধবার যশ এর সাথে একসাথে ঘটতে চলেছে এই দুই । মনে করা হচ্ছে এই দুয়ের কারনে আরও শক্তিশালী হতে পারে ঘূর্ণিঝড়টি । ফলে ভয়ঙ্কর আকার ধারন করে উপকূলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করতে পারে ঘূর্ণিঝড় যশ(Yash)।

পূর্ণিমার প্রভাবে বুধবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে শুরু হবে জোয়ার। সকাল ১০টা ৪৮ মিনিটে সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছবে জোয়ার। তার পর থেকে ফের জলের উচ্চতা নামতে শুরু করবে। সন্ধ্যা ৬টা ৩ মিনিট নাগাদ ভাটার প্রভাবে জলতল থাকবে সব থেকে নীচে। তার পর থেকে ফের শুরু হবে জোয়ারের প্রভাব। রাত ১১টা ৪ মিনিট নাগাদ ফের সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছবে জোয়ার। জোয়ার চলাকালীন জলের উচ্চতা সর্বাধিক সাড়ে ৫ মিটার উঠতে পারে।

সেই দিনই অন্যদিকে বেলা ৩:১৫ মিনিট থেকে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী থাকবে বিশ্ব। যা চলবে সন্ধে ৬টা ২৩ মিনিট পর্যন্ত। এটিই চলতি বছরের প্রথম ও শেষ ‘ব্লাড মুন’। ঘূর্ণিঝড় যশ যখন স্থলভাগে আছড়ে পড়বে, সেই সময়ের যদি সামান্য হেরফের হয়, তাহলেই চিন্তা বাড়বে। কারণ সকাল অথবা একটু রাতের দিকে আছড়ে যদি সুপার সাইক্লোনটি স্থলভাগ স্পর্শ করে তাহলে তার প্রভাব অনেক বেশি আক্রমণাত্মক হবে বলেই মনে করছে হাওয়া অফিস।

প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না যে কখন এই ঝড়ের ল্যান্ডফল হবে, তবে আবহবিদদের আশঙ্কা, যে জোয়ারের সময়ই যদি ইয়াস এসে পড়ে, তাহলে তার প্রভাব ভয়ানক হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.