Bappi Lahiri Passed Away: ফের সঙ্গীত জগতে নক্ষত্রপতন! প্রয়াত সঙ্গীত শিল্পী বাপী লাহিড়ী

নদীয়া নিউজ ২৪ ডিজিটাল: সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ধাক্কা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি বাঙালি। তার মাঝেই বুধবার সাত সকালে আরও এক বাঙালি তারকার মৃত্যুর খবর এল আবর সাগরের পার থেকে। মুম্বইয়ের হাসপাতালে প্রয়াত ‘ডিস্কো কিং’। বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। মঙ্গলবার মুম্বইয়ের জুহুর এক হাসপাতালে মৃত্যু হয় বাপি লাহিড়ীর।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে মুম্বইয়ের ক্রিটিকেয়ার হাসপাতালের ডিরেক্টর ড. দীপক নমযোশী জানিয়েছেন, বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন প্রবীণ সংগীত পরিচালক। একাধিক শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। ভরতি হতে হয়েছিল ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে। সেখান থেকে সোমবার ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু মঙ্গলবার থেকে ফের তাঁর শারীরিক অবনতি হতে থাকে। এরপরই তাঁকে ক্রিটিকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। জানা গিয়েছে, সেখানেই মধ্যরাতে প্রয়াণ ঘটে প্রবীণ শিল্পীর। OSA তথা অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিতে আক্রান্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। 

গত শতকের আটের দশকে ভারতীয় চলচ্চিত্রের জগতে পপ-ডিস্কো গানের যে জোয়ার এসেছিল তাঁর অন্যতম পুরোধা ছিলেন বাপি। ‘ডিস্কো ডান্সার’ (১৯৮২), ‘ডান্স ডান্স’ (১৯৮৭) হয়ে একের পর এক ছবিতে করা তাঁর সুর সেই সময়ের তরুণ প্রজন্মকে আন্দোলিত করেছিল। সংগীতের সমসাময়িকতা যে তাঁর নাড়ির স্পন্দনে তা নতুন করে প্রমাণিত হয়েছিল ২০১১ সালে ‘ডার্টি পিকচার’ ছবিতে ‘উলালা’ গানের মধ্যে দিয়ে। তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, প্রজন্মের পর প্রজন্মকে বুঁদ করে রাখার কোন জাদুক্ষমতায় বলীয়ান তিনি। তবে কেবল পপ বা ডিস্কো নয়, নরম রোম্যান্টিক গানেও যে তিনি অনন্য তা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল কেরিয়ারের শুরুতে ‘চলতে চলতে’ (১৯৭৬) ছবিতে বাপির করা সুর থেকেই।

বাপ্পি লাহিড়ির প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোকের ছায়া নেমে এসেছে শিল্পী মহলে। খবর পেয়েই কান্নায় ভেঙে পড়েন ঊষা উত্থুপ। তিনি বলেেছন, বাপ্পি দা নেই একথা ভাবতেই পারছি না। তাঁর মত হাসিখুশি লোক খুব কমই ছিল। যেকোনও মনখারাপ করা জায়গার মেজাজ বদলে দিতে পারতেন বাপ্পি লাহিড়ি। বলিউডের একাধিক সুপার হিট ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনা করেছিলেন তিনি। ১৯৫২ সালে জলপাইগুড়িতে জন্মে ছিলেন বাপ্পি লাহিড়ি। শৈশব থেকেই গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.