Fathers Day 2021: আজ বাবা-সন্তানদের দিন,জানুন এই দিনটির নেপথ্যের কাহিনী

নদীয়া নিউজ ২৪ ডিজিটাল: বাবা,যে শব্দটা উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে – ত্যাগ, মূল্যবোধ, অক্লান্ত পরিশ্রম সহ একাধিক মহত্ত্বর বিষয় চোখের সামনে ভেসে ওঠে। একজন সন্তানের জন্ম থেকে তাঁর বেড়ে ওঠে- প্রতি পদে বিশাল বটবৃক্ষের মতো ছায়া দেন যে মানুষটি, আগলে রাখেন যিনি… তিনিই বাবা।

জুন মাসের তৃতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে পালন করা হয় ফাদার্স ডে। বিশ্বের প্রায় ৮৭ টি দেশে এই দিন পালন করা হয় বাবাদের মনে রেখে। তবে মা-বাবার জন্য নির্দিষ্ট কোনও দিন হয় না। আমাদের জীবনে প্রতিটা দিনই তাঁদের জন্য। করোনার কারণে অনেক সেলিব্রেশনের ঘাটতি হচ্ছে। কাটছাঁট করতে হচ্ছে। মাদার্স ডে-র মতো ফাদার্স ডে সেলিব্রেশনেও কাটছাঁট হবে এই বছর। জেনে নিন ফাদার্স ডে’র নেপথ্যের কিছু তথ্য ।

ঠিক কবে ফাদার্স ডে

প্রতিবছর জুনমাসে ফাদার্স ডে সেলিব্রেট করা হয়। এবছরও জুন মাসে পড়েছে । ২০ জুন এবছর ফাদার্স ডে সেলিব্রেশন হবে গোটা দেশে। ভারতেও হবে। 

কবে প্রথম শুরু হয়েছিল ফাদার্স ডে

১৯১০ সালে ওয়াশিংটনে প্রথম পালন করা হয় এই দিন। তবে এই ফাদার্স ডে এর নেপথ্যে রয়েছেন একজন মহিলা। সোনোরা স্মার্ট ডড। সোনোরা খুব কম বয়সে তাঁর মাকে হারান। এদিকে সোনোরার বাবা ছিলেন পেশায় সৈনিক। খুব কষ্ট করেই বিপত্নীক মানুষটি তাঁর ছেলে মেয়েদের মানুষ করেন। আর তাই বাবাকে সম্মান জানাতেই সোনোরা ও তাঁর ভাইবোনেরা ঠিক করেন জাঁকজমক করে এই দিনটি পালন করতেই হবে। এরপর তাঁরা গির্জা ও স্থানীয় প্রশাসনের দ্নারস্থ হন। এরপর তাঁদের উদ্যোগেই প্রথম পালিত হয় ফাদার্স ডে। তার পর থেকে বিশ্বের ১১১টি দেশে দিনটি পালিত হয়। যদিও অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মতো কয়েকটি দেশে সেপ্টেম্বরের প্রথম রবিবার ফাদার্স ডে পালিত হয়।

শোনা যায় সোনোরার আগেও কিন্তু আমেরিকায় ফাদার্স ডে পালন করা হয়েছে। ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্টের এক গির্জায় পালন করা হয় ফাদার্স ডে। যদিও এই দিনটির কথা জানতেন না বলেই জানিয়েছেন সোনোরা। কিন্তু ফাদার্স ডে যাতে সরকারি স্বীকৃতি পায় এবং যাতে এই দিন ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয় তাঁর জন্য প্রচার চালিয়ে গিয়েছেন সোনোরা। অবশেষে ১৯১৩ সালে মার্কিন সংসদে ফাদার্স ডে-কে ছুটির দিন হিসাবে ঘোষণা করা সংক্রান্ত একটি বিল আসে। 

মধ্যযুগের ইতিহাস ঘাঁটলেও খোঁজ মেলে ফাদার্স ডে-এর। ক্যাথলিক বিশ্বাসে জোসেফ হলেন যীশু খ্রিস্টের পিতা। রাজা হেরডের অত্যাচার থেকে বাঁচতে অন্তঃসত্ত্বা মাতা মেরীকে নিয়ে জেরুজালেমে চলে যান তিনি। সেখানেই জন্ম নেন যীশু। তাই জোসেফকে ‘নারিশর অফ দ্য লর্ড’ বলা হয়।তবে বিশ্বজুড়ে এখন এই জুনের তৃতীয় রবিবারই ঘটা করে পালন করা হয় ফাদার্স ডে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.