‘Ghatal Master Plan’রূপায়িত হবে কেবলমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হলেই, ঘাটাল পরিদর্শনে গিয়ে দাবি দেবের

নদীয়া নিউজ ২৪ ডিজিটাল: “ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়িত হবে কেবলমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী হলেই। তখন ঘাটালবাসীও জল-যন্ত্রনা থেকে মুক্তি পাবেন।” বুধবার বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে ঘাটালে গিয়ে এমন কথাই বললেন ঘাটালের তৃনমুল সাংসদ তথা অভিনেতা দেব। এমনকি ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রূপায়িত না হওয়া-সহ গোটা পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রকেই দায়ী করেন তিনি।

একদিকে সক্রিয় মৌসুমী বায়ু। আবার তার উপর গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টি হয় কলকাতা-সহ গোটা রাজ্য। আর তার ফলে হু হু করে বেড়েছে নদীগুলির জলস্তর। জল ছেড়েছে DVC। না জানিয়েই ডিভিসি থেকে জল ছাড়া হয়েছে বলেই অভিযোগ। সেই জলেই আপাতত ভাসছে হাওড়ার আমতা, উদয়নারায়ণপুর, হুগলির খানাকুল এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল। বুধবার দুপুর একটা নাগাদ প্লাবিত এলাকা পরিদর্শনে ঘাটালে পৌঁছন সাংসদ দেব। প্রথমেই মহকুমাশাসকের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। ত্রাণের বন্দোবস্ত এবং উদ্ধারকাজ নিয়ে আলোচনা হয় তাঁদের। বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত না হওয়ায় উদ্ধারকাজ জারি রয়েছে বলেই জানান তিনি।

এদিন কেন্দ্রীয় নেতাদের কটাক্ষ করে দেব(Dipak Adhikary) বলেন, “ভোটের আগে এসে অনেক বড় বড় কথা বলে গিয়েছিলেন। বাংলাকে সোনার বাংলা বানাবেন, এই করবেন, সেই করবেন। অনেক কথা বলেছিলেন। কিন্তু ভোটের পর তাঁদের কারও হদিশ মিলছে না। এত বলার পর, এত বার চিঠি দেওয়ার পরও ঘুম ভাঙেনি কেন্দ্রের। শুধু ভোটের সময় এসে বড় বড় কথা বলে চলে যান।” 

প্রায় প্রতি বছর প্রবল বৃষ্টিতে জলের তলায় চলে যায় ঘাটালের গ্রামের পর গ্রাম। ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান এখনও বাস্তবায়িত না হওয়ার ফলে এমন দুর্ভোগ বলেই অভিযোগ গ্রামবাসীদের। ১৯৮২ সালে সুপারিশ করা হলেও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের সুপারিশ করা হয়। সাংসদ হওয়ার পর দেব নিজেও সংসদে বহু বার তা রূপায়ণের জন্য সওয়াল করেছেন। কিন্তু এত দিনেও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের বাস্তবায়ন হয়নি। যার ফলস্বরূপ একটু বেশি বৃষ্টি হলেই বানভাসি অবস্থা হয় পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল, কেশপুর, চন্দ্রকোনা-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায়। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.