নদিয়া: নদিয়ার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী দত্তপুলিয়ায় সি এ এ সহায়তা ক্যাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করলেন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জগন্নাথ সরকার। সংসদের উদ্বোধন করা এই সহায়তা ক্যাম্পে ভিড় ছিল শরণার্থীদের। সি এ সহায়তা ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অসীম বিশ্বাস সহ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।
রীতিমতো মতুয়াদের ডঙ্কা কাশি বাজিয়ে এই সহায়তা ক্যাম্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলো আজ। এদিন শরণার্থীদের উপস্থিতি এবং উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। নদীয়ার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী দত্তপুলিয়ার কুশবেড়িয়া গ্রামে এই সিএএ সহায়তা ক্যাম্প উদ্বোধন হয় সাংসদ জগন্নাথ সরকারের হাত ধরে। এলাকার বেশিরভাগ মানুষই মতুয়া সম্প্রদায়ের।
ধর্মীয় কারণে বাংলাদেশ থেকে এপার বাংলায় এসে আশ্রয় নিয়েছিলেন তারা। রীতিমতো ডঙ্কা কাসর বাজিয়ে সি এ এ সহায়তা ক্যাম্পে তাদের নাম নথিভুক্ত করে। এ বিষয়ে রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ জগন্নাথ সরকার জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় এই সিএএ সহায়তা ক্যাম্পের উদ্দেশ্য হল যে সমস্ত শরণার্থীর ২০০২ সালের নির্বাচন তালিকায় নাম নেই সমস্ত হিন্দু বৌদ্ধ জৈন পারসি সমস্ত ধর্মের মানুষদের এই সিএএ ক্যাম্পে আবেদন করলে তাদের নাগরিকত্ব দিয়ে ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত করার দাবি জানান।
একই সাথে যতক্ষণ না পর্যন্ত ভোটার লিস্টে এই সমস্ত লোকেদের নাম না উঠবে ততক্ষণ পর্যন্ত বাংলায় কোন নির্বাচন নয় বলেই দাবি তোলেন তিনি। অন্যদিকে সাংসদ জগন্নাথ সরকার এ এ ক্যাম্পে উপস্থিত হয়ে শরণার্থীদের পাশে দাঁড়ানোয় তারা অত্যন্ত খুশি। বিশেষ করে মতুয়া সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়িয়ে এদিন সাংসদ জগন্নাথ সরকার যে সমস্ত উদ্যোগ নিয়েছেন তাদের জন্য তারা জগন্নাথ সরকারের ভূয়ষি প্রশংসা করেছেন।
অন্যদিকে সি এ ভাই ওতা শিবির সম্পর্কে বিধায়ক অসীম বিশ্বাস জানান, এলাকার সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করা হয়েছে একই সাথে তাদের এই শিবিরে আবেদন করতে বলা হয়েছে সকলকে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেস এই সম্পর্কিত যে সমস্ত ভয় ভীতি দেখাচ্ছে মানুষকে তা থেকে মুক্ত হওয়ার আবেদন জানান। এদিকে ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার ব্যাপারেও আশাবাদী মতুয়া সম্প্রদায় ভুক্ত মানুষজনসহ যাদের ২০০২ সালের ভোটার তালিকার নাম নেই। তারা সকলেই।
