নদিয়া: চলছিল কল্যাণী বিধানসভার প্রচার। হঠাৎই খবর আসে o নেগেটিভ রক্তের প্রয়োজন। প্রচার ফেলে রেখেই হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে ছুঠলেন মূর্মুস রোগীকে বাঁচাতে নদীয়ার কল্যাণী বিধানসভার সিপিআইএম প্রার্থী সবুজ দাস। এক রোগীর পরিজনরা “O” নেগেটিভ রক্তের জন্য ছোটাছুটি করছে।
খবর এসে পৌঁছায় কল্যাণী বিধানসভা সিপিআইএম প্রার্থী সবুজ দাসের কাছে। সে সময় প্রচার করছিলেন সবুজ দাস। খবর পেয়েই প্রচার ফেলে ছুটে যান কল্যাণী জে এন এম হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কে। সেখানেই এক ইউনিট রক্তদান করে আবার প্রচারে ফিরে যান সিপিআইএম প্রার্থী সবুজ দাস। যদিও সবুজ দাসের দাবি, এটার সাথে ভোটের প্রচারের কোনো সম্পর্ক নেই। কারন সারাবছর তিনি এবং তার দল এই কাজেই যুক্ত থাকেন। বছরভর সিপিআইএমের ছাত্র যুব সংগঠন নিয়মিত রক্তদান কর্মসূচির সাথে যুক্ত থাকে । যেহেতু O নেগেটিভ গ্রুপের রক্ত তার। তাই ব্লাড ব্যাংকে এসে সরাসরি তিনি রক্তদান করেন।
রক্ত পেয়ে খুশি রোগীর পরিজনরা। যদিও এ বিষয়ে সিপিআইএম প্রার্থী সবুজ দাস হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকের বেডে শুয়ে জানান, এর সাথে রাজনীতির কোন সম্পর্ক নেই। শুধু নির্বাচনের সময় নয় সারা বছর যখন মানুষ যেভাবে ডেকেছে আমি হাজির হয়েছি। যেদিন থেকে রাজনীতিতে এসেছি সেদিন থেকে মানুষের পাশে থাকার সংকল্প নিয়েছি। এটার জন্য মানুষ আমাকে ভোট দেবে তার কোন মানে নেই। কেউ যদি, এটাকে নিয়ে ভোটের রাজনীতি ভাবে তারা সেটাকে ভুল করছে। প্রশাসন আমাদের হাতে নেই সরকার আমাদের নেই তবুও মানুষের জন্য যতটুকু পারবো চেষ্টা করে যাব। করোনা কালেও রেড ভলেন্টিয়ার এর সদস্য হিসেবে বর্তমান সিপিআইএম প্রার্থী সবুজ দাস জীবন বাজি রেখে বিভিন্ন রকম কাজ করে গেছেন। এর আগে কল্যাণীতে যে বিধায়ক ছিল তার চাইতেও কোন পদে না থেকে তাকে মানুষ কাছে পেয়েছে বেশি এমনটাই দাবি তরুণ সিপিআইএম প্রার্থীর। নির্বাচনের প্রাক্কালে সবুজ দাস জানান, বিধায়ক হওয়ার স্বপ্ন তিনি দেখেন না। মানুষ যদি তাকে নির্বাচিত করে মানুষের জন্য তিনি কাজ করে যাবেন। মানুষ তাকে ফেরাবে না এটাই তার আশা।
প্রচার ফেলেই ব্লাড ব্যাংকের বেডে শুয়েই O নেগেটিভ রক্ত দান করলেন সিপিএম প্রার্থী সবুজ দাস।
