Rahul Gandhi: কৃষি আইনের প্রতিবাদে ট্র্যাক্টর চালিয়ে সংসদ ভবনে গেলেন রাহুল গান্ধী

নদীয়া নিউজ ২৪ ডিজিটাল: বিরোধীদের ফোনে আড়ি পাতা-কাণ্ড নিয়ে উত্তাল সংসদ। তার মধ্যেই কৃষক আন্দোলনকে সংসদভবন পর্যন্ত নিয়ে গেলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গাঁধী। সংসদের বাদল অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার ট্র্যাক্টর চালিয়ে সংসদে পৌঁছন রাহুল।মোদী সরকারকে নিশানা করে রাহুল গান্ধী বলেছন, সরকারের মতে সংসদের বাইরে যে কৃষকরা প্রতিবাদ জানিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন তাঁরা আসলে জঙ্গি। এবং দেশের কৃষকরা ভীষণ খুশি। কিন্তু সত্যিটা হল সরকার দেশের অন্নদাতাদের অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। এদিন তিনি আরও বলেন, ‘‘কৃষকদের অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে কয়েক জন শিল্পপতির পকেট ভরাতে চাইছে সরকার। কৃষক স্বার্থ বিরোধী কালো আইন প্রত্যাহার করতে হবে কেন্দ্রকে।’’

বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন কৃষকরা। সোমবার থেকে দিল্লির যন্তর মন্তরে ধর্নায় বসেছেন মহিলারা। অন্য দিকে, সংযুক্ত কিসান মোর্চা-সহ একাধিক সংগঠনের নেতৃত্বে দিল্লি সীমানায় বিক্ষোভ চলছেই। সেই পরিস্থিতিতেই কৃষি আইনের বিরোধিতাকে সংসদে নিয়ে গেলেন রাহুল। ট্র্যাক্টরের সামনে টাঙানো ব্যানারে বড় বড় হরফে লেখা ছিল, ‘কৃষক বিরোধী তিনটি কালো আইন প্রত্যাহার করুন।’ সংসদভবন চত্বরে পৌঁছে বলেন, ‘‘সংসদে কৃষি আইন নিয়ে আলোচনা করতে দেওয়া হয় না। কৃষকদের দমিয়ে রাখছে সরকার। তাই কৃষকদের বার্তা সংসদে পৌঁছে দিতে এসেছি আমি। কালো আইন তুলে নিতে হবে সরকারকে।’’

এদিন রাহুলের সঙ্গে ট্র্যাক্টরে ছিলেন জাতীয় কংগ্রেসের মুখপাত্র রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা, দীপান্দার হুড্ডা। যদিও রাহুল বাদে সুরজেওয়ালা ও তাঁর স্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা শ্রীনিবাসকে আটক করে পুলিশ।

উল্লেখ্য, টিকরি, সিঙ্ঘু কিংবা গাজিপুর জুড়ে কৃষকদের আন্দোলন চলছে দীর্ঘ আটমাস ধরে। মোট ১২ বার কেন্দ্রের সঙ্গে কৃষি আইন নিয়ে বৈঠক হলেও কোনও সুরাহা মেলেনি। কেন্দ্র কৃষি আইন তোলার ব্যাপারে কোনও উদ্যোগ নেয়নি। শুধুমাত্র আলোচনা করতেই চায় কেন্দ্র কিন্তু কৃষি আইন রদের পথে হাঁটবেনা বলেই আগেই জানিয়েছে কেন্দ্র সরকার। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.