Shahid Dibas: মমতার একুশের শহীদ দিবসের পাল্টা, শ্রদ্ধাঞ্জলী দিবস পালন বিজেপির

নদীয়া নিউজ ২৪ ডিজিটাল: রাত পোহালেই তৃণমূলের একুশে জুলাইয়ের শহীদ দিবস। এবারের একুশের শহীদ দিবসের দিন নতুন কর্মসূচি গ্রহণ করল বিজেপি। দিল্লিতে এই মুহূর্তে চলছে সংসদের বাদল অধিবেশন। অনেক সাংসদই সেখানে রয়েছেন। দিল্লিতে (Delhi)রয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষও। তাঁর নেতৃত্বে বুধবার দিল্লির রাজঘাটে পালিত হবে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস। রাজ্যেও বিভিন্ন জাগায় শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস পালন করবেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে এ কথা জানালেন রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য।

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য জানান,’২ মে থেকে আজ পর্যন্ত রাজ্যে ৩৮ জন বিজেপি কর্মী খুন হয়েছেন। ২ মে থেকে ৫ মে পর্যন্ত বিজেপি কর্মী খুনের সংখ্যা ৮। ৫ মে থেকে আজ পর্যন্ত বিজেপি কর্মী খুনের সংখ্যা ৩০।’ শমীকবাবু বলেন, এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ও গোটা দেশকে পশ্চিমবঙ্গের প্রকৃত অবস্থা জানাতে আমরা আগামিকাল মানুষের সামনে রাখছি, ‘আক্রান্ত মানুষ, বিপন্ন গণতন্ত্র, শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি। আগামিকাল ২১ জুলাই সকাল ১১.৩০ মিনিটে দিল্লির রাজঘাটে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে অন্যান্য সাংসদরা ধরনায় বসবেন। 

রাজ্যে মূল বিরোধী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে থেকেই ২১ জুলাই, তৃণমূলের শহিদ দিবসের দিন পালটা কোনও না কোনও কর্মসূচি পালন করে থাকে বিজেপি। গত বছর ‘শহিদ দিবস’কে কটাক্ষ করে ‘প্রহসন দিবস’ পালন করেছিলেন গেরুয়া শিবিরের নেতারা। সেবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, ”১৯৯৩ সালে বাম জমানায় গুলিতে নিহত শহিদদের স্মরণে মুখ্যমন্ত্রী শহিদ দিবস পালন করেন। কিন্তু সেই শহিদ দিবস পালনের অধিকার মুখ্যমন্ত্রী হারিয়েছেন। গণতান্ত্রিক অধিকারকে সুরক্ষিত করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক সময়ে যে আন্দোলন করেছিলেন, ক্ষমতায় এসে তাঁর রাজ্যেই গণতন্ত্র লুঠ হচ্ছে। বিরোধীদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হয়েছে। তাই এই শহিদ দিবস পালন এখন স্রেফ প্রহসনে পরিণত হয়েছে। তাই পালটা কর্মসূচি প্রহসন দিবস।”

Leave a Reply

Your email address will not be published.