Tokyo Olympic: অলিম্পিকে প্রথম পদক দেশের, দেশবাসীকে পদক উৎসর্গ করলেন ভারোত্তলক Mirabai Chanu

নদীয়া নিউজ ২৪ ডিজিটাল: অলিম্পিক শুরুর আগে থেকেই চানুকে নিয়ে স্বপ্ন বুনতে শুরু করেছিল দেশবাসী। আজ ৪৯ কেজি বিভাগে তিনি অংশগ্রহণ করেন। আর সেইসঙ্গে তিনি রুপোর পদকও জয় করলেন। ২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকে মীরাবাই চানু অংশগ্রহণ করলেও শেষপর্যন্ত তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন। দেশবাসীর প্রত্যাশাপূরণ করতে পেরে স্বভাবতই খুশি মীরাবাই চানু। তবে, আক্ষেপও রয়েছে। অলিম্পিকে রুপো জেতার পর প্রথম প্রতিক্রিয়াতেই তিনি বললেন, “খুব চেষ্টা করেছিলাম সোনা জেতার। সোনা জিততে পারলাম না। তবে সত্যিই খুব চেষ্টা করেছিলাম। গোটা দেশ আমায় দেখছিল। তাঁদের প্রত্যাশা ছিল। একটু চাপও লাগছিল। তবে, নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য মুখিয়ে ছিলাম। দ্বিতীয় বার ভারোত্তোলনের পরই আমি বুঝতে পারি, পদক জিততে চলেছি। এটার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি।”

মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নংপক কাকচিং গ্রাম। সেখানকার এক নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসেন ১৩ বছর বয়সি চানু। ছোটোবেলা থেকেই ইচ্ছে ছিল খেলাধুলোয় নাম অর্জন করার। ২০০৮ সালে ইম্ফলের সাই (SAI) সেন্টারে ভর্তি হয়ে যান। তবে প্রথমদিন তিরন্দাজির কোনও ট্রেনিং তিনি পাননি। আর সেখানেই ঘুরে যায় তাঁর জীবনের মোড়। তারপর চলে কঠিন অধ্যাবসায়। অবশেষে আজ ফলাফল তিনি হাতে পেলেন।

রুপো জয়ের পর এক বিবৃতিতে মীরাবাই (Mirabai Chanu) জানিয়েছেন,”এটা সত্যিই আমার কাছে স্বপ্নপূরণের মুহূর্ত। আমি নিজের দেশ এবং কোটি কোটি ভারতবাসীকে এই পদক উৎসর্গ করতে চাই। আমার পরিবার, বিশেষ করে আমার মাকে ধন্যবাদ জানাব। মায়ের আত্মত্যাগ এবং আমার প্রতি বিশ্বাস আমাকে সাফল্যের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। সেই সঙ্গে বিশেষ ধন্যবাদ ক্রীড়ামন্ত্রক, SAI, IOA এবং ভারতের ভারোত্তোলন সংস্থাকে। আমার কোচ বিজয় শর্মা (Vijay Sharma) এবং সাপোর্ট স্টাফকেও ধন্যবাদ জানাব সবসময় আমার পাশে থাকার জন্য।”

কোচ বিজয় শর্মা বলছিলেন,”রিও অলিম্পিকের সেই ধাক্কা আমাদের এতদূর নিয়ে এসেছে। আজকের এই পারফরম্যান্সের পিছনে মীরাবাইয়ের নিজের কৃতিত্বই বেশি। কোনও ক্রীড়াবিদের সাফল্যে কোচের বড় ভূমিকা থাকে। কিন্তু ক্রীড়াবিদ যদি নিয়মানুবর্তী না হন, তাহলে কোচের কিছু করার থাকে না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published.